আইন

আইন

05

September, 2018

Admission Test 2018

University of Rajshahi

আইন!

আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত একটি শব্দ।সমাজে সুষ্ঠভাবে বেঁচে থাকার জন্য এই আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। না না, ভয়ের কিছু নেই। আমরা এখানে আইনের ভালমন্দ নিয়ে কোন আলোচনা করব না। আমরা শুধু দেখব, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার জন্য ‘আইন’ বিষয়টি কেমন? কিংবা এই বিষয়ে পড়ে আমাদের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে।

প্রথমেই বলে দেই, ‘আইন পড়ে বটতলার উকিল ছাড়া কিছউ হওয়া যাবে না’ কিংবা ‘যার নাই কোন গতি সে করে ওকালতি’ এইধরনের বাক্যের কিংবা প্রবাদের কোন ভিত্তি নেই। এগুলো আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে কারন, আমাদের সাধারন মানুষদের এই বিষয় সম্পর্কে তেমন কোন ধারনা নেই বললেই চলে। যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অধ্যয়ন প্রথমেই আপনাকে এই সাধারন ভুল ধারনা থেকে বের করে নিয়ে আসবে।
আমাদের সমাজে অনেক আইন প্রচলিত। কোনটা অনেক পুরাতন, কোনটা নতুন। একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে আপনার কাছে অনেক আইনই অসামঞ্জস্য লাগতে পারে। আপনি শুধু মাত্র তখনই এই ধরনের আইন নিয়ে কিংবা আইন সংশোধন নিয়ে কাজ করতে পারবেন যখন আপনি সেগুলোর ভেতরের বিষয়গুলি জানবেন এবং সেগুলো কোথায় কিভাবে ব্যবহৃত হয় তা জানবেন। আর এর একমাত্র উপায়, আইনের ছাত্র হওয়া। তাছাড়া আপনি যখন নিজের দেশ সহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সংবিধান সহ অন্যান্য আইন জানবেন তখন আপনি যেমন নিজের এবং সাধারন মানুষের দায়িত্বকর্তব্য, অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবেন তেমনি সাধারন মানুষের কাতার থেকে বের হয়ে অন্যরকম এক আত্মবিশ্বাসের অধিকারীও হবেন।

এসব তো গেল জানার কথা, বুঝার কথা। এবার আসি আইন পড়ে ভবিষ্যৎ কি? আদৌ কোন চাকুরী হবে তো?

আইনের ছাত্র হিসেবে আপনার সবচাইতে বড় সুবিধা আপনার জন্য বাংলাদেশের নিম্ন আদালতগুলো তৈরীই আছে। অর্থাৎ আইনে পড়ার দরুন আপনি বার কাউন্সিলের সনদ নিয়ে আদালতে এডভোকেট,আইনজীবি হিসেবে প্র্যাকটিস করতে পারবেন। চাকুরীর জন্য বসে থেকে হা হুতাশ করতে হবেনা। শুধু মাত্র বাংলাদেশ বার এসোসিয়েশনের সনদের জন্য প্রিলি,রিটেন এবং ভাইভা ফেস করতে হবে। সেগুলো নিয়ে আরেকদিন কথা বলব না হয়।

বাংলাদশের সবচাইতে সম্মানের, ক্ষমতাধর এবং বেশি বেতনের সরকারি চাকুরিরগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘বিচারক’ এর চাকুরী। যাকে সাধারন মানুষ ‘জাজ সাহেব’ বলে আর খাতা কলমে বলে ‘জুডিশিয়াল অফিসার’। তবে এই পদে নিয়োগ পেতে আপনাকে আইনের ছাত্র হতে হবে। অন্য কোন বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে এই পদে আসার কোন উপায় নেই। এলএল.বি. শেষ করেই আপনি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের আন্ডারে পরীক্ষা দিতে পারবেন। বিসিএসের মত প্রিলি,রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষায় পাশ করলেই আপনি এই পদে আসীন হতে পারবেন। তবে ভয় পাবেন না। বিসিএসের চাইতে খুব কম সময়ের মাঝেই এই প্রক্রিয়া শেষ হয়। আপনি এলএল.এম. অর্থাৎ স্নাতোকত্তর শেষ করার আগেই আপনি এসিস্টেন্ট জাজ কিংবা জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশকৃত হবেন। অপেক্ষা শুধু নিয়োগের।

আপনার যদি উচ্চ শিক্ষার ইচ্ছা থাকে, আপনি আইন পড়ে দেশের বাহিরে যেতে পারবেন, বিশেষ করে লন্ডন। আর আর্থিক অবস্থা ভাল থাকলে আপনি ব্যারিস্টারী করে এসে আদালতে প্র্যাক্টিস করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার সম্মানও বেশ বাড়বে। তাছাড়া ল ফার্ম তো আছেই।

মোদ্দা কথা, বাংলাদেশের তিনটি প্রধান অর্গানের একটি অর্থাৎ বিচার বিভাগের একজন সদস্য হতে চাইলে আইনের ছাত্র হওয়া ছাড়া আর উপায় নেই। অন্যভাবে বলতে গেলে, শুধুমাত্র আইনের ছাত্র ছাত্রীরাই পারবে বিচার বিভাগের অংশ হতে।

আচ্ছা যদি কেউ এসবের কিছুতেই আগ্রহ খুজে না পায়? তখন? সেক্ষেত্রেও সমস্যা নেই। আপনি আইন পড়ার সুফল সেখানেও পাবেন।
আপনি যে কোন ব্যাংক কিংবা বড় বড় দেশী বিদেশী কোম্পানীর লিগ্যাল অফিসার, এডভাইসার কিংবা লিটিগেশন অফিসার হিসেবে জয়েন করতে পারবেন। আপনি চাইলে প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোতে জয়েন করতে পারবেন, জাজ এডভোকেট জেনারেল হিসেবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে, মেডিকেল,লিখিত এবং আইএসএসবি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে যদি আপনার বার কাউন্সিলের সনদ সহ দুই বছরের প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকে, তবে আইএসএসবি বোর্ড ফেস করার প্রয়োজন হবে না। ছয় মাসের শর্ট কোর্সের পর ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার নিয়োগ পাবেন।

UNESCO,UNISEF,WTO,UN এর মত বড় সংগঠনগুলোতেও তুলনামুলক কম প্রতিযোগিতা করে ভাল পদে নিয়োগ পেতে পারেন। এছাড়া দেশের এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে ভুমিকা রাখতে চাইলে, আদর্শ রাজনীতিবীদ হতে চাইলে আইন পাঠের বিকল্প খুব কমই আছে। তাছাড়া আপনি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মত বিসিএস কিংবা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারবেন।

ল স্টুডেন্ট বা আইনের ছাত্র ছাত্রীরা প্রায়ই মজা করেই বলে, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া আইনের ছাত্রদের জন্য অন্য সব দরজা খোলা। তাছাড়া ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, রবী ঠাকুর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবাই আইনেরই ছাত্র ছিলেন।

আইন পড়ে মিথ্যা বলা ছাড়া কিছু করার নাই’ প্রবাদটি ভুল। আইন পড়ে যেমন আসহায় মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অংশ নেয়া যায়, তেমনি সমাজের অসঙ্গতি এবং সমস্যা সমাধানেও বিশেষ ভূমিকা রাখা যায়। তাছাড়া চাকুরীর ক্ষেত্রেও আইন পড়ুয়ার কদর প্রচুর।
যত দিন যাচ্ছে, তেমনি ব্যবসা এবং অপরাধ যেমন বেড়ে চলেছে তেমনি বেড়েছে অপরাধের ধরন। তাই দিন কে দিন আইনের পড়ুয়াদের চাহিদাও বাড়ছে। সবশেষে আমরা বলতেই পারি, স্নাতক পর্যায়ে পড়ার জন্য বিষয় হিসেবে ‘আইন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং সম্মানের।

Want new articles before they get published?
Subscribe to our Awesome Newsletter.

The subject review about CSE

Nowadays the most popular subject is Computer science and engineering which is also known as CSE.Most of us do not have the accurate idea about what is taught in cse and what is the job opportunity one can get after having a qualified degree in Computer science and engineering .Most of the times people take a cse engineer as a computer repairer who can solves all the hardware and others problems that has happened to the computer.It is not a actual job of a cse engineer.

Here is a short review on this most demanding and attractive subject all over the world.

What is CSE

The subject CSE is a combination of applied mathematics, computer science and Engineering science. It focuses on the basic elements of computer programming and networking. Students pursuing computer science courses will gain knowledge of design, implementation and management of information system of both hardware and software.

The requirements for studying in cse

You will need to fulfill a General Education component, a Mathematics and Science component. That means you have to be from Science background from both SSC and HSC or from O level and A level.

What is Taught is CSE :

In CSE, courses are taught in some categorized sectors .Such as programming languages,Data structures,software design and implementation,Mathematics courses(linear algebra),interfacing courses,system programming ,digital circuits ,Digital designs and some EEE courses.

The future Opportunity of CSE

The job sector of CSE is really a large one. The qualified and skilled CSE engineer can apply in and get many kinds of job sectors .The CSE, one of those subjects which has many different sectors what one can choose depending on their skills and choices.

The different sectors of cse are

1. Software Developer

If you think you are a creative person and computer savvy,you can choose the path of becoming a software developer .The software developer design ad program the computer applications people use everyday.After having the bachelor’s degree in computer science if someone have the strong programming skills in different languages can look for being a software developer.A skilled software developer can earn a handsome amount of money.

2. Information Security Analysts

Our everyday’s works are related with different kinds of data or information. But it’s security is becoming more and more critical day by day.An information security analysts is responsible for making sure that data on company websites and servers is protected from theft and fraud. If you are looking for a high salary and a solid job security this job is perfect for you.

3. Computer Systems Analysts

If you have a bachelor’s degree in computer science or information technology, you may consider becoming a systems analysts. These professionals design the ideal systems for businesses and organizations and help implement these designs.

4. Computer and Information Systems Manager

Becoming a Computer and Information Systems manager with five years of experience are typically the information technology leader in an organization.

5. Computer and Information Research Scientists

If you have the plan of pursuing a doctoral degree in computer science, one excellent computer career to strive for is that of a research scientist. These professionals do research to solve complex computer problems in a variety of industries, and invent new ways to approach the ways we use technology. Although you usually need a Ph.D. to be a research scientist, you may be able to get a federal job in this field with a bachelor’s degree.

6. Computer Network Architect

This job is for those who have several years of experience. A computer network architect is responsible for building connections between several businesses or a huge network of users.

7. Network and Computer Systems Administrators

After having the bachelors degree you can easily apply for this job . As a systems administrator, your work is the day-to-day operations of the physical computer networks within organizations.

8. Database Administrator

Database administrators use software to manage information capacity for businesses, government bureaus, and other organizations. A bachelor’s degree in an information technology related field along with experience building databases are typical requirements.

9. Web Developer

If you have a creative streak and are interested in potentially being self-employed, consider a job as a web developer. These professionals are responsible for the look and functionality of company websites, intranets, and applications.

10. Computer Support Specialists

A Computer Support Specialists help troubleshoot software and hardware problems for large and small companies alike.The small and large both companies need the computer support specialists as todays every work is done through the computers

If you complete the bachelors in Cse ,these are the stable jobs which can provide excellent salaries and respect.On the other hand accepts these jobs a Cse engineer can enter in differents sectors because of the other skills he or she has besides the technical skills

সাবজেক্ট রিভিউঃ ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই)

সাবজেক্ট রিভিউঃ ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই)

EEE (ইইই) | ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং। তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক বা ভালাে বাংলায় বৈদ্যুতিন প্রকৌশল | ইঞ্জিনিয়ারিং জগত এর খুবই পরিচিত একটা বিষয় বলতে পারাে সব ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি এবং অন্যান্য ভার্সিটির একটি এলিট সাবজেক্ট। যা ইলেক্ট্রন নিয়ে আলােচনা করে। নামের মধ্য দিয়েই সাবজেক্ট সম্পর্কে হালকা ধারণা পাওয়া যায় যে এটা তড়িৎ সম্পর্কিত ব্যপার নিয়েই এর আলােচনা | দুটো জিনিস ১.ইলেক্ট্রিক্যাল ও ২.ইলেক্ট্রনিক নিয়েই এই বিষয়| ইলেক্ট্রিক্যাল এ আলােচনা করা হয় মুলত হাই-ভােল্টেজের জিনিস পত্র নিয়ে | যেখানে আকারে বড় বড় ইলেক্ট্রিক্যাল জিনিস পত্র নিয়ে বিস্তর আলােচনা |যেমন মনে করাে পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন,ইলেকট্রক্যাল মেশিন,পাওয়ার সাপ্লাই ও ম্যানেজমেন্ট, আর ইলেক্ট্রনিক হচ্ছে আকারে ছােট ও লাে-ভােল্টেজের জিনিস পত্র নিয়ে আসলে প্রধান ব্যাপারটা হলাে ইলেকট্রিক্যাল মূলত পরিবাহী ও অপরিবাহী নিয়ে কাজ করে আর ইলেকট্রনিকের ভেলকি হলাে অর্ধপরিবাহীতে। ইলেক্ট্রনিক ব্যপারটা এতই মজার জিনিস যে এর ব্যপকতা শুনলে যে কেউ ই আগ্রহী হয়ে উঠবে |আর যারা রােবটিক্স নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী তাদের কাজ শুরু হয়
ইলেক্ট্রনিক সবচেয়ে পুরনাে এবং প্রচলিত ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলাের মধ্যে EEE অন্যতম আভিজাত্যের অধিকারী। আশেপাশের চারদিকে ইলেক্ট্রনিক্সের বিপ্লব দেখে নিশ্চয়ই এই সাবজেক্ট পড়ুয়াদের গুরুত্ব বা চাহিদা আগ বাড়িয়ে বলে দিতে হয় নাহ! এইচএসসিতে প্রিয় বিষয় যদি হয়ে থাকে Math বা Physics তাহলে EEE পড়া নিয়ে কোন ভয় নেই। তুমি নিঃসন্দেহে এখানে খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে| তােমার যদি Equation Solve আর ফিজিক্স সেকেন্ড পেপারের বিদ্যুতের চ্যাপ্টারগুলাে যদি  খারাপ না লাগে, তাহলে ইইই তােমাকে হতাশ করবে না কখনােই | তড়িৎ বর্তনী নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে মজা লাগে ? রােধের সমান্তরাল সন্নিবেশ, হুইটস্টোন কার্শফের অঙ্ক করতে ভালাে লাগে? তাহলে তােমার জন্যই তাে EEE | EEE পড়তে তােমার উদ্ভবনী ক্ষমতা থাকাটা বেশ জরুরী|এর থেকেও বেশী যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে,উদ্ভবন করার স্পৃহা | এই EEE তে তুমি খুব সহজেই তুমি তােমার উদ্ভবনী ক্ষমতা বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারবে। আর আরও একটা মজার জিনিসের সাথে যােগদান করতে পারবে ,আর তা হচ্ছে IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়িয়ার ,ছাত্র ও শিক্ষক নিয়েই এই সংগঠন | এখানে তুমি যােগাযােগ স্থাপন করতে পারবে বিশ্বের বড় বড় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের সাথে দেখতে পারবে বর্তমান বিশ্বের নতুন আবিষ্কার | IEEE তে প্রকাশিত রিসার্চ জার্নালগুলােকে বিশ্বের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বের সাথে দেখা এবং পড়া হয়। বুঝতেই পারছ কত ওয়েটফুল একটা প্রতিষ্ঠান। আর নিজের আবিষ্কার গুলাও তুলে ধরতে পারবে এখানে | আর তােমার আবিষ্কার যদি হয় মানব কল্যাণমূলক তাহলে IEEE তােমাকে বেশ ভাল মানের স্কলারশিপ দিবে তােমার কাজকে আরও সামনে সামনে এগিয়ে নিতে ।

EEE আসলে বেশ বড় একটা ক্ষেত্র। পরিসরও অনেক ব্যাপক ও বিস্তৃত। 233 এর প্রধান ডিভিশন গুলাে । হচ্ছে1.Power 2.Electronics 3.Telecommunication 4.Computers Power সেক্টরের ব্যাপারটা মনে হয় সবাই এমনিতেই বুঝতে পেরেছে। যারা বিদ্যুত উৎপাদন আর সরবরাহের দায়িত্বে থাকে| এই সেক্টরের চাহিদা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই মুহুর্তে প্রচুর চাহিদা পুরনের জন্য প্রতি বছরই নতুন নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। আর পদ্মাপাড়ের পাবনা রুপপুরে নব নির্মিত নিউক্লিয়ার প্লান্টে EEE ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা আছে। আর এখানে বেশ আকর্ষনীয় বেতন অফার হয়েছে।

আর এই সেক্টরের পুরাে দায়িত্বই থাকে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে। যারা নিজেকে একজন Power management engineer হিসেবে দেখতে চাও, তারা নিঃসঙ্কোচে EEE নিতে পারাে। Electronics নিয়েও সবাই হালকা পাতলা কিছু জানে | এখনকার সময়ে তােমরা যত ডিভাইস দেখ, তার বেশিরভাগই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে ডিজাইন করা | স্মার্টফোন, আইপ্যাড, নােটপ্যাড, ল্যাপটপ সবগুলােই ইলেক্ট্রনিক্সের অবদান | Microcontroller এর নাম হয়তাে কেউ কেউ শুনে থাকবে| যেখানে প্রােগাম লিখে ছােট ছােট জিনিস পত্র কন্ট্রোল করা যায়। রােবটিক্স নিয়ে পড়াশােনার ব্যাপক ইচ্ছা যাদের, তাদের জন্য microcontroller হলাে একেবারে শুরুর ধাপ| তবে হ্যা, এদিক দিয়ে আগাতে হলে অবশ্যই পরিশ্রমী
আর উদ্যমী । হতে। | হবে| Telecommunication, যােগাযােগ নিয়ে কাজকারবার| মােবাইল ফোন কোম্পানিতে মাঝের কয়েক বছর EEE ইঞ্জিনিয়ারদের বিশাল চাহিদা ছিলাে | আমাদের মত দেশে নতুন নতুন নেটওয়ার্ক, টাওয়ার, কভারেজ তৈরিসহ সমগ্র সিস্টেম ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে আছে বিপুল সংখ্যক ইইই ইঞ্জিনিয়ার| শুধু এক Grameenphone এই এখন কাজ করছে প্রায় ৫ হাজার প্রকৌশলী, যার বেশিরভাগই ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ব্যাকগ্রাউন্ডের| যত নতুন নতুন টেকনােলজি আসবে, অত চাহিদা Expand করবে| যারা নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত Telecommunication Engineer হিসেবে দেখতে চাও, তাদের জন্য অবশ্যই EEE. আবার অনেকেই আছে ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং এ গবেষণাতে আগ্রহী তাদের জন্যও দরকার EEE বা ETE ব্যাকগ্রউন্ড থাকা । Computer আসলে এমন এক ব্যাপার যাকে কোন কিছু থেকেই আলাদা করা যাবে না| ইইই থেকে পড়ে পরবর্তীতে Software Engineer হয়ে গিয়েছে এমন উদাহরনও আছে অনেক। তুমি যদি প্রােগ্রামিং ভালাে বােঝ, কম্পিউটারে ভালাে দখল থাকে, তবে ইইই পড়েও তুমি খুব সহজেই CSE সাইডে Divert হতে পারাে |কারণ , EEE ইঞ্জিনিয়ারদেরকে প্রােগ্রামিং এ ও দক্ষ করে গড়ে তােলা হয় |কেননা , সার্কিট এর প্রােগ্রামিং এর জন্য প্রােগ্রামিং এ ভাল করতে হয় | EEE পড়েছ বলে যে তুমি প্রােগ্রামার হতে পারবে না বা সফটওয়্যার বানাতে পারবে না এমন ধারণা পুরােপুরি ভুল। তােমার যদি Electronics এর পাশাপাশি সফটওয়্যার নিয়েও ঘাটাঘাটি করতে ইচ্ছে করে তাহলে তুমি সহজেই ইইই নিতে পারাে | এখানে এই সুযােগ প্রচুর |আর এখানেই ইইই এর পরিধি যে কত ব্যাপক তা বুঝতে পারতেছ। EEE এর কর্মক্ষেত্র নিয়ে আসলেই কোন কথা বলা চলে না | যতদিন পৃথিবী টিকে থাকবে অতদিন এর ডিমান্ড কমবে না কখনােই হয়তাে দেশের বাইরেও রয়েছে হাজার হাজার গবেষণা ক্ষেত্র। দেশে বিদেশে সবজায়গাতেই মর্যাদাপূর্ণ একটা জায়গাতে থাকবে | চাকরি নেই, হাজার হাজার স্টুডেন্ট হয়ে গেছে, এমন
শােনা কথায় কান দিতে যেয়াে না| যােগ্যতা আর মেধা থাকে, তবে EEE পড়ে তােমাকে একদিনও বসে থাকতে হবে না| তুমি ঠিকই তােমার Deserving পজিশনে যেতে পারবে| আর salary | শুধু দেশেই যে ভাল salary নিয়ে জব করতে হবে এমন নয় | দেশের বাইরেও EEE ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন বেশ আকর্ষনীয় | গুগলে সার্চ করলেই প্রমাণ দেখতে পাবে। দেশের মধ্যে সরকারী ক্ষেত্রে রয়েছে পিডিবি,পল্লীবিদ্যুত,বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন,বাংলাদেশ রেলওয়েসহ অনেক অনেক ক্ষেত্র! আর দেশের বাহিরেও রয়েছে অসংখ্য ক্ষেত্র! আর তাইতাে বলছি চলে এসাে তড়িতের এই অভাবনীয় দুনিয়ায়। যে পথ ধরে হেটেছেন ভােল্টা,ফ্যারাডে,টেসলা… সে পথ অপেক্ষা করছে তােমারই জন্য। ইইই স্টুডেন্ট দের একটা উক্তি দিয়ে আজকের লেখা শেষ করি…

“Electricity rules civilization, We(EEEians) rule electricity”

How to become a blogger – Creating your own blog!

How to become a blogger – Creating your own blog!

What? You are just a student so why should you start a blog? Well, the question should be how do you start a blog! I’ll answer both for you!

Do you have opinions about anything and everything but your friends won’t listen to them? Do you write poetry or short stories but Penguin won’t publish them yet? Do you want to solve problems people face and answer their questions but you can’t reach out to thousands of people? Well, you aren’t alone! I do too. So, let me put forth a simple solution which I also employed – write a blog! Share funny incidents from your life, things that make you happy, your opinions on the rules made by your college, your outrage on Padmavati movie row and increasing incidents of rape or religious intolerance, memorable moments from the latest season of your favorite TV series or stand up shows, and everything under the sun – in short give vent to all your emotions through a blog! Making money through blogging is the cherry on the cake!
Now that we have established the why, let’s address the how.

How to create a blog?
Setting up a blog has never been easier. Just a few clicks and you are good to go. With many options like Blogger, Tumblr, and Medium available, WordPress still makes an ideal choice for a blogging CMS. It is free to download, install, use, and modify. It allows you to give your blog any look you want. No, you don’t have to be a designer for it. It has hundreds of template themes which you can choose from. Apart from text, it supports images, audios, and video content.

Before starting a blog from scratch, you need to be familiar with certain terms that will be used during the process of creating a WordPress blog.
1. Domain name – It is the address where people can access your blog/website. To put it simply, just like your home’s address is used to find your home, a domain name is used to find your blog or website. For example, internshala.com and wordpress.com are domain names.

2. Sub-domain – It is a subset of the domain name. For example, in blog.internshala.comblog is a subdomain on internshala.com and in www.wordpress.comwww is a subdomain on wordpress.com.

Become-a-blogger-How-to-create-a-blog-11

3. Theme – It is the design and aesthetic of your page. Themes decide how your blog would eventually look like. WordPress offers you a number of free themes – set your theme to match the functionality of your blog.

4. Plugin – It is a special tool that you can use to enhance the functionality of your blog. If you want to improve readers’ experience and manage your blog easily, you can leaf through these WordPress plugins.

5. Widgets – These allow you to modify your blog’s design and content without the knowledge of HTML and CSS.

So are you ready to start your own blog? Roll up your sleeves and get to work!
1. Go to WordPress.com – WordPress comes in two flavours – WordPress.com and WordPress.org. At the former, you don’t have to download software, manage a web server, or pay for hosting. All you need to do is create exhilarating content. This makes it a tailor-made choice for you; after all, free is the perfect price for broke college students.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-1

2. Get Started – Click on the ‘Get Started’ button. You’ll be redirected to the first step of creating a free blog. Out of the four options presented – creating a blog, website, portfolio, or an online store, click on ‘Start with a blog’.

3. Give address to your site – While a domain name costs around INR 200 per month, WordPress.com allows you to have a free subdomain like test.wordpress.com. To create a site address for your blog, all you need to do is enter a keyword representing your blog or your name. Bloggers advise to use a two-three word address and not use a hyphen between the words.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-2

Entering a keyword will exhibit all the available addresses. Choose the free option. If in future you feel the need to own a domain name, you can upgrade to the premium version.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-3

4. Pick a plan – WordPress asks you to choose a plan for your blog. You can check out the features each plan offers right below the start button and pick one that matches your interest. The free plan, as WordPress itself recommends, is best for students.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-4

This brings you to the last step of making a blog.
5. Create your account – Enter your email id, set a password, and you’re done! Go ahead and look at it in awe for a minute.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-5

6. Customize your blog – What, you don’t like how it looks? Now, I don’t have a magic wand to change its view. But WordPress has! Quickly click on ‘Themes’ in the ‘Personalize’ section on the left side of the page. With no technical knowledge required, you can add colour to your blog, add a logo, change the font of posts, and add header and footer. You can also add plugins and widgets to enhance the design and functionality of your blog.

How-to-become-a-blogger-Creating-your-own-blog-7

Created your WordPress blog already? Now you want me to help you write your first blog post? Alright! Alright! Head to our next article in this series  – Writing your first blog post!

Already own a blog and want to taste the waters of the professional world? Apply to these cool content writing internships and write your own success story.

What is digital marketing? : Peeking into the wonders of optimized advertising

What is digital marketing? : Peeking into the wonders of optimized advertising

WWW = Wide World of Wonder! Digital marketing changed the definition of the web for me! And what is digital marketing? Well, if you’ve ever been on the internet, you have encountered digital marketing. Any form of advertising, promoting, and marketing on any online platform is called digital marketing. Not only is online marketing far more effective than offline marketing, it is truly accessible to customers all around the world. Everyone is hopping on the marvelous wagon of digital marketing; let us take you for a ride too.

What are the different ways in which digital marketing is done?
1. Content Marketing: We all know that content is king! If you’ve got the content right, half the job is done. Through content marketing, the brand shows the value of the product/service in question to convert leads and drive incremental sales.

2. Email Marketing: This form of marketing involves sending bulk emails to customers regarding deals on products. It’s an inexpensive way to increase sales and customer loyalty. Email marketing is one of the most efficient ways to put a marketing campaign out there. The trick that works in email marketing is to be regular, putting a personal touch to the emails, and making sure that you don’t spam!

3. Mobile marketing: What are your eyes glued to the most in your everyday life? The answer is crystal clear to all of us. Mobile marketing is done through SMS, by customizing advertisements for a mobile screen, and much more. Strategies such as geolocation are often made use of to market products to customers in a specific location. Mobile marketing has the highest conversion rates!

4. Social Media Marketing: Social media is where everyone is connected so why not promote your product there? Social Media Optimization (SMO) is basically the tactic through which brands and companies make themselves visible on any and every social media outlet. This can range from paid advertisements on social media to publishing engaging content regularly. Social media marketing is a great way to create an everlasting brand image!

What makes digital marketing possible?
1. Search Engine Optimization (SEO): SEO is the most indispensable marketing strategy. This basically means that brands try hard to be the first ones to pop up in the Search Engines Result Pages (SERP). The trick here is to create useful content for your users, use relevant keywords in that content, and know what your customers will search for on Google. Because let’s be honest, no one looks on the second page of the search results!

2. Advertisements: Ads are all around us, aren’t they? This is the creative area of digital marketing. Businesses thrive or crumble based on how good their online advertising actually is. Platforms like Google AdWords provide a niche for companies to put up their products and listings so that they gain maximum visibility. Pay-Per-Click is another marketing strategy where every time you click on an ad, you get directed to the advertiser’s website and the publishers are paid. This helps the businesses in getting traffic to their website.

3. Web analytics: This is the brains behind digital marketing. Web and digital analytics in the simplest sense are like a calculator to check how SEO-friendly your content is. Tools of data analysis make one aware of what the users are actually looking for. For a digital marketer, data from web analysis helps in making decisions regarding advertising as well as promotional strategies.  A digital marketing course will help you get familiar with web analytics in order to check how much traffic you are getting on your website and through which platform!

What are my career options once I learn digital marketing?
1. SEO Executive: Once a digital marketing certification helps you learn SEO, you are ready to take over the world! The most important role of an SEO executive is to decide what sort of content should be produced and its long-term effects. In addition to this, you will be responsible for conducting keyword research, running PPC campaigns, improving site performance, and formulating ways in which you can attract traffic to your website.

2. Social Media Manager: You will be responsible for creating social media marketing strategies and taking decisions regarding what should be published on various online platforms. Visual design, engagement tactics, and promotion strategies are some of the many ways in which social media managers maintain and increase the online visibility of their brands and businesses.

3. Copywriter: Are you the master of cheeky one-liners and want to make use of your talent? Then, there’s plenty for you to do in digital marketing. When it comes to designing advertisements or publishing blog posts, copywriters are the true saviors! You aren’t just responsible for writing a line, you are also the voice of the brand!

4. Analytics manager: You already know what web analytics is. An analytics manager is responsible for using the data through web analytics in order to create the most effective business strategies. These strategies then go on to determine the future of the business.

Oh, boy! Isn’t digital marketing truly enthralling? I know you can’t contain yourself so check out Internshala’s Digital Marketing Training – get an additional 10% discount and learn all the strategies that will help you create smooth sailing online marketing tactics.